ঋণগ্রহীতা হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করুন

এই ফান্ডের সব ঋণ সুদমুক্ত। আপনি যত টাকা ঋণ নেবেন, শুধু ততটুকুই ফেরত দেবেন। রেজিস্ট্রেশন একবারই করতে হয়। রেজিস্ট্রেশন অনুমোদিত হলে আপনি একটি ঋণগ্রহীতা কোড পাবেন, যা দিয়ে ঋণের আবেদন করবেন।

আপনার সম্পর্কে

০১ দিয়ে শুরু ১১ সংখ্যার নম্বর লিখুন।

শুধু সংখ্যা লিখুন (১০, ১৩ বা ১৭ সংখ্যা)।

পরিবার ও কাজ

যেমন: পঞ্চম শ্রেণি, এসএসসি, এইচএসসি, অথবা পড়াশোনা নেই।

লিঙ্গ

জাতীয় পরিচয়পত্রে যেভাবে লেখা আছে।

বৈবাহিক অবস্থা

যিনি আপনাকে চেনেন

ফান্ডের পরিচিত এমন কেউ, যিনি আপনার বিষয়ে বলতে পারবেন, যেমন একজন দাতা, টিমের সদস্য বা উপদেষ্টা।

ঠিকানা

আপনার বাসার সবচেয়ে কাছের কেন্দ্রটি বেছে নিন।

ডকুমেন্ট

ছবিগুলো ফোন দিয়ে তুলতে পারেন। প্রতিটি ফাইল ৮ MB-এর চেয়ে ছোট হতে হবে।

ঋণ পেলে এই ছবিটি আমাদের পাবলিক পেজে দেখানো হবে।

সম্মতি

ঋণ পরিশোধ একটি আমানত

এই ঋণ অন্য মানুষের সদকা ও যাকাতের টাকা। আপনি যে টাকা ফেরত দেন, তা আবার অভাবী আরেকজনকে ঋণ হিসেবে দেওয়া হয়।

যা করবেন

  • প্রতিটি কিস্তি নির্ধারিত তারিখে বা তার আগেই পরিশোধ করুন।
  • ঋণের টাকা শুধু আবেদনে যে কাজের কথা বলেছেন সেই কাজেই ব্যবহার করুন।
  • কিস্তি দিতে সমস্যা হলে নির্ধারিত তারিখের আগেই আপনার কেন্দ্রকে জানান।
  • প্রতিটি পরিশোধের রসিদ নিন এবং যত্ন করে রাখুন।
  • আপনার ঋণের বিষয়ে জামিনদারদের সবসময় জানিয়ে রাখুন।
  • ঠিকানা বা মোবাইল নম্বর বদলালে অফিসকে জানান।

যা করবেন না

  • পরিশোধের সামর্থ্য থাকলে কিস্তি দিতে দেরি করবেন না।
  • ঋণের টাকা অন্য কোনো কাজে ব্যবহার করবেন না বা অন্য কাউকে দেবেন না।
  • অন্য কারো হয়ে আবেদন করবেন না।
  • ভুল তথ্য বা ভুয়া কাগজপত্র দেবেন না।
  • ফান্ডের নিজস্ব অ্যাকাউন্ট বা আপনার কেন্দ্র ছাড়া অন্য কাউকে টাকা দেবেন না, আর রসিদ ছাড়া কখনোই নয়।
  • কিস্তি বকেয়া পড়লে কেন্দ্রকে এড়িয়ে চলবেন না বা ফোন ধরা বন্ধ করবেন না।

সময়মতো ঋণ পরিশোধ না করলে যা হবে

দুনিয়াতে

  • আপনার পরিচয় সবার সামনে প্রকাশ করা হবে: আপনার নাম, আপনার তথ্য, আপনার এলাকা এবং বকেয়া টাকার পরিমাণ আমাদের ওয়েবসাইটে ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা হবে।
  • আপনার জামিনদারদের সাথে যোগাযোগ করা হবে এবং ঋণের জন্য তাদের দায়ী করা হবে।
  • আপনার দেওয়া জামানত বিক্রি করে ঋণ আদায় করা হবে। পাওনার চেয়ে বেশি যা থাকবে, তা আপনাকে ফেরত দেওয়া হবে।
  • কালেকশন এজেন্ট নিয়োগ করা হবে, এবং এর খরচ আপনাকেই বহন করতে হবে।
  • আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, এবং আমাদের অভিজ্ঞ আইনজীবী দল আপনার বিরুদ্ধে মামলা পরিচালনা করবে।
  • ফান্ড থেকে আপনি আর কোনো ঋণ না-ও পেতে পারেন।

কোনো সুদ, ফি বা জরিমানা কখনো যোগ করা হয় না। আপনি যা পেয়েছেন শুধু ততটুকুই ফেরত দেবেন।

আখিরাতে

  • "হে ঈমানদারগণ, তোমরা অঙ্গীকার পূর্ণ করো।" সূরা আল-মায়েদা ৫:১
  • সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঋণ পরিশোধে দেরি করা জুলুম। সহিহ বুখারি ২২৮৭
  • মুমিনের আত্মা তার ঋণের কারণে আটকে থাকে, যতক্ষণ না তা পরিশোধ করা হয়। জামে তিরমিজি ১০৭৮
  • আল্লাহ শহিদের সব গুনাহ মাফ করে দেন, শুধু ঋণ ছাড়া। সহিহ মুসলিম ১৮৮৬
  • ঋণ রেখে মারা যাওয়া ব্যক্তির জানাজা নবীজি (সা.) পড়াননি, যতক্ষণ না অন্য কেউ সেই ঋণের দায়িত্ব নিয়েছেন। সহিহ বুখারি ২২৮৯

নিয়ম ও শর্তাবলি

  1. ঋণগ্রহীতাকে পরিশোধ সূচিতে উল্লিখিত দেয় তারিখগুলোতে ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
  2. পরপর তিনটি কিস্তি অপরিশোধিত থাকলে একজন আদায় প্রতিনিধি নিয়োগ করা হতে পারে। প্রতিনিধি বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য ঋণগ্রহীতার বাড়ি, দোকান বা অফিসে যেতে পারেন, এবং তা আদায়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন।
  3. আদায় প্রতিনিধি নিয়োগের খরচ ঋণগ্রহীতাকে বহন করতে হতে পারে। এটি আদায়ে প্রকৃতপক্ষে যে খরচ হয় তা; দেরির জন্য কোনো চার্জ নয়। ঋণ নিজে কখনো বাড়ে না: পরিশোধযোগ্য অর্থ সবসময় ঠিক যা পাওয়া গেছে তা-ই, এবং এর সাথে কোনো ধরনের ফি, জরিমানা, মুনাফা বা সুদ কখনো যোগ করা হয় না।
  4. আদায় প্রতিনিধির মাধ্যমে আদায় ব্যর্থ হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে, এবং সংশ্লিষ্ট আইনি খরচ ঋণগ্রহীতা বহন করবেন।
  5. ঋণ শুধু আবেদনে উল্লিখিত উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করতে হবে। অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা অনুমোদিত নয়।
  6. ঋণ সম্পূর্ণ পরিশোধের আগে ঋণগ্রহীতা মৃত্যুবরণ করলে বকেয়া অর্থ তার পরিত্যক্ত সম্পত্তি থেকে পরিশোধ করা হবে, এবং তার উত্তরাধিকারীরা এই একই শর্তাবলির অধীনে অবশিষ্ট দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।
  7. স্বচ্ছতার স্বার্থে ঋণগ্রহীতার তথ্য প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা হতে পারে।
  8. কর্তৃপক্ষ যেকোনো সময় এই শর্তাবলি সংশোধন, পরিবর্তন বা পরিমার্জন করতে পারে। সংশোধিত শর্ত সকল ঋণগ্রহীতার জন্য বাধ্যতামূলক, এবং প্রত্যেক ঋণগ্রহীতা যে সংস্করণে স্বাক্ষর করেছেন তা লিপিবদ্ধ থাকে।

আমরা কী প্রকাশ করি আর কী গোপন রাখি: আপনাকে ঋণ বিতরণ না হওয়া পর্যন্ত কিছুই প্রকাশ করা হয় না; ঋণ বিতরণের পর আপনার নাম, ছবি, জামিনদারদের নাম, ঋণ ও পরিশোধের তথ্য আমাদের ওয়েবসাইটে দেখানো হয়, কিন্তু আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, মোবাইল নম্বর, ডকুমেন্ট বা ভিডিও কখনোই নয়।

যোগাযোগ